শিরোনাম :
ভালোবাসা, মর্যাদা ও বৈচিত্র্যের বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা প্রাইড ২০২৬ অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের জয় অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত ও গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ থেকে নতুন আইপি বাণিজ্য-কানে চীনা সিনেমার নতুন অধ্যায় চিপ শিল্পে নতুন সমীকরণ: ‘থাও সূত্র’ ঘিরে বৈশ্বিক প্রযুক্তি মহলে আলোচনা ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ

নারীর অদম্য সাহসেই গড়ে উঠবে জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবর্তন আমাদের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও টিকে থাকার লড়াই আমাদের হাতেই। আর এই টিকে থাকার অনুপ্রেরণা পরিবারে সবচেয়ে বেশি দেন নারীরা। নারীর অদম্য সাহসেই গড়ে উঠবে জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ।

তিনি আজ রাজধানীর আলোকিতে অনুষ্ঠিত Annual Community of Practices (CoP) Network Convention 2025 – EmPower: Women for Climate Resilient Societies (Phase-II) শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারীরা ঘরে ও সমাজে প্রতিদিন জলবায়ু সহনশীলতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্যোগে, দারিদ্র্যে কিংবা অনিশ্চয়তায় তারা কখনও হার মানেননি। এই নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আমাদের উন্নয়নের দর্শন বদলাতে হবে। বড় বড় মেগা প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি নদীভাঙন ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষদের সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। প্রকৃত অর্থে টেকসই উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন প্রতিটি দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অভিযোজন প্রকল্পগুলোকে বড় আকারে সম্প্রসারণ করতে হবে। স্থানীয় নারী উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাগুলোকেই জাতীয় উন্নয়নের পরিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।

অনুষ্ঠানে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস, সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহযোগিতা প্রধান ডিপাক এলমার, জাতিসংঘ নারী সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং, এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জেলার নারীদের জন্য কাজ করা ১০জন অদম্য নারীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পরে, পরিবেশ উপদেষ্টা জলবায়ু অভিযোজনের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এই জাতীয় কনভেনশনে দেশের ১০০টি নারী-নেতৃত্বাধীন নাগরিক সংগঠন অংশ নেয়। তারা স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগ উপস্থাপন করেন। এছাড়াও, শিল্পীরা পটের গানের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকি ও তার রোধে করণীয় বিষয় উপস্থাপন করেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD