শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম দিনে তারেক রহমানের ১০ কর্মসূচিতে ৩৬০ ডিগ্রি কূটনৈতিক কৌশলের প্রতিফলন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি মাসে সর্বোচ্চ চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ভিত্তি পারস্পরিক সুবিধা: সিজিটিএন জরিপ সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা: এইচআরডব্লিউ মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমান ও এরদোগানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব নিউইয়র্কে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে অপরাধের অভিযোগ: মোজাফফরের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়!

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৫ হাজার নিয়োগের সুপারিশ

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ১০০ দিনের কর্মসূচির অগ্রগতি জানাতে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চার হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সুপারিশের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। চলতি বছরের মধ্যে এসব চিকিৎসক নিয়োগ শেষে আগামী বছর আরো প্রায় পাঁচ হাজার নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে দেশের সরকারি হাসপাতালে দুই বছরের মধ্যে নতুন ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। শিগগিরই এ নিয়োগ সম্পন্ন হবে। অবশিষ্ট চিকিৎসক আগামী বছরের শুরুতে নিয়োগ দেয়া হবে।

সরকারি হাসপাতালে দ্বিতীয় শিফট চালু করার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইমার্জেন্সি, মেডিসিন বিভাগ ছাড়া অন্যান্য চিকিৎসকদের কর্মঘণ্টা সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা। এজন্য ২টার পরে হাসপাতালে চিকিৎসক কম দেখা যায়। তার মানে এই নয় যে, চিকিৎসকরা অনুপস্থিত। এজন্য আমরা দ্বিতীয় শিফট চালু করা যায় কি না তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করাটাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এজন্য হাসপাতালে মনিটরিং বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর সুফলও পাওয়া গেছে, বর্তমানে ৭৫ শতাংশ চিকিৎসক হাসপাতালে অবস্থান করছেন। কিছুদিন আগেও যেখানে এই উপস্থিতির হার ছিল ৪০ শতাংশের নিচে। আমরা শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতে কাজ করছি। এটি করতেও বেশি দিন লাগবে না।

এ সময় জাহিদ মালেক জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ৫ হাজার শয্যা করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই কাজ শেষ হবে। এখন ২ হাজার ৬০০ বেড হলেও ৪ হাজার রোগীর ধারণ ক্ষমতা রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ আইনের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে আইনটি মন্ত্রিসভায় নিয়েছিলাম। কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল, সেগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

এই আইনের সুফল বর্ণনায় তিনি বলেন, অন্যায় হলে জবাবদিহিতা থাকবে। এ আইনের মাধ্যমে সেবার মান বাড়বে। অযাচিতভাবে কোনো চিকিৎসক বা নার্সের ওপর হামলা হলে, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে এনেসথেসিয়া চিকিৎসক কম। সার্জন বেশি। এই সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। এনেসথেসিয়া চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD