শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

খুলনা ওয়াসার বোতলজাত পানি ‘সুন্দরবন’ আসছে বাজারে

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০১৯

রাইসুল আলম রবিন, খুলনা প্রতিনিধি :অবশেষে বাজারে আসতে যাচ্ছে খুলনা ওয়াসার বোতলজাত ‘সুন্দরবন’ পানি। ইতোমধ্যে কারখানার মূল ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বোতল উৎপাদন, পানি পরিশোধন, বোতলে ভরা এবং লেবেলসহ বিপণনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে।

ওয়াসার কর্মকর্তারা জানান, এই মাসের শেষ সপ্তাহে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে কারখানাটি। আর সব ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে যাবে সুন্দরবন পানি। ৩০০ মিলিলিটার থেকে ৫ লিটার পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণীর বোতলে এই পানি পাওয়া যাবে।
খুলনা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় একটি বোতল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য নগরীর রায়েরমহল এলাকার জলিল সরণির পাশে ১৫ দশমিক ৩৭ কাঠা জমি অধিগ্রহণ করে ওয়াসা। কারখানা নির্মাণের জন্য দুই দফা দরপত্র আহ্বান করলেও তাতে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) লিমিটেডের সঙ্গে কারখানা নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ কোটি ৭৫  লাখ টাকা।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলন করে সেটি পরিশোধন করে বোতলে ভরা হবে। এখানে পানি পরিশোধন কেন্দ্রের সঙ্গে বোতল উৎপাদন কারখানাও থাকবে। চুক্তি অনুযায়ী এই কারখানায় প্রতি ঘণ্টায় ৮ হাজার লিটার পানি উৎপাদন হবে। প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে ৬৪ হাজার লিটার পানি উৎপাদন হবে। ৩০০ মিলি, ৫০০ মিলি, ১ লিটার, ২ লিটার, ৩ লিটার, ৫ লিটার বোতল এবং ২০ লিটার জারে করে পানি বাজারজাত করা হবে। প্রতিদিন মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৮০ বোতল পানি বোতলজাত করা হবে।
গতকাল শনিবার সকালে সরেজমিন প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দুই তলা ভবনের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়। এখন মূল ফটকের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দরজা লাগানো হচ্ছে। বিদ্যুতের সাবস্টেশন ও নতুন বিদ্যুত সংযোগের কাজও শেষ হয়েছে। ভবনের ভেতরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ।
ওয়াসার প্রকল্প ব্যবস্থাপক খান সেলিম আহম্মদ জানান, এখানে বোতল উৎপাদন, পানি পরিশোধন ও প্যাকেজিংয়ের সব কাজ হবে যন্ত্রের মাধ্যমে। হাতের কোনো স্পর্শ থাকবে না। ইতোমধ্যে বোতলজাত পানি তৈরি ও বোতল উৎপাদনের সব যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়ে গেছে। এখন শেষ মুহূর্তের ঘঁষামাজার কাজ চলছে। এটাও ১৫ দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবদুল্লাহ বলেন, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে যাবে সুন্দরবন পানি। তিনি বলেন, আপাতত বাজারে যে খুচরা মূল্যে বোতল পানি বিক্রি হয়, সেই দামেই সুন্দরবন পানি বিক্রি হবে। তবে পাইকারী বা ডিলারদের জন্য বাজার দর থেকে কম মূল্যে পানি সরবরাহ করা হবে। ইতোমধ্যে ডিলার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD