শিরোনাম :
সংস্কার ও উন্নয়ন উদ্যোগের দীর্ঘ তালিকা তুলে ধরে সরকারের অগ্রগতির চিত্র ভারত থেকে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত, এপ্রিলে ১৩ হাজার টন ডিজেল দেশে প্রবেশ মার্কিন প্রস্তাবে সাড়া নয়, শর্ত না মানলে আলোচনায় নয় গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি প্রাণহানি, উদ্বেগে জাতিসংঘ  নিম্ন-কার্বন প্রযুক্তিতে গার্ডেন এক্সপোর বিশেষ গুরুত্ব চীনা ভাষার প্রসারে বৈশ্বিক উদ্যোগ চার দেশের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় সি’র কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত সুরক্ষা ও বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দিনাজপুরের বিরলে নতুন বিওপি উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সুষম উন্নয়নে সমতলের সাথে সমভাবে এগোবে পাহাড়:পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

কোটচাঁদপুরের দাস সম্প্রদায়ের গণকবর সংরক্ষণ দাবি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মো: নজরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে দাস সম্প্রদায়রা বসবাস করছে সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই। বর্তমানে ১৪টি পরিবার বসবাস করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মে পাকিস্তানী হানাদাররা হামলা চালায় দাসপাড়ায়। একসঙ্গে চারজনকে গুলি করে হত্যা করে ।

নিজের চোখে দেখা দাসপাড়ার ভদু দাসের পুত্র রাজন দাস জানালেন, যে গর্তে চারজনের লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। সেখানে নেপিয়ার ঘাসের চাষ হচ্ছে। কলাগাছও রয়েছে বেশ কয়েকটি। জমির প্রকৃত মালিক হতদরিদ্র গোপাল দাস ফুলবাড়ি গ্রামের আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তি কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। যার কারণে গণকবরের কোনো চিহ্ন আজ আর নেই। তারা এই স্থানটি চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রবিউল ইসলাম আরো জানান, দাসপাড়ায় ১৯৭১ সালে বসতি ছিল ১০ পরিবারের। দরিদ্র পরিবারগুলোর সদস্যদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জন ছিলেন প্রতিবাদি। এই খবর শত্রু দের মাধ্যমে চলে যায় পাকিস্তানী বাহিনীর কাছে। তারা পড়ে থাকা লাশগুলো তাদের দোসররা একটি গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেন।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানী বাহিনী তাকে ডেকে মুসলিম শুনে ছেড়ে দেন। তারা একে একে গুলি করে হত্যা করে ভাদু দাস, অন্ন দাস, অঙ্গ দাস ও কিরণ দাসকে। কিরণ দাস পরের ক্ষেতের কামলা ছিলেন, বাকিরা চাটাই তৈরীর কাজ করতেন। তিনি বলেন, এই স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ব থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারতো, জানতে পারতো হানাদারদের হাতে এভাবে কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার তাজুল ইসলাম বলেন, এই স্থানটি আজো তাদের অজানা। তারা কোটচাঁদপুর উপজেলায় যেগুলো গণকবর রয়েছে সেগুলোর একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। যার মধ্যে এই স্থানটি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি বলেন, দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে এই স্থানটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD