শিরোনাম :
ভালোবাসা, মর্যাদা ও বৈচিত্র্যের বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা প্রাইড ২০২৬ অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের জয় অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত ও গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ থেকে নতুন আইপি বাণিজ্য-কানে চীনা সিনেমার নতুন অধ্যায় চিপ শিল্পে নতুন সমীকরণ: ‘থাও সূত্র’ ঘিরে বৈশ্বিক প্রযুক্তি মহলে আলোচনা ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ

কোটচাঁদপুরের দাস সম্প্রদায়ের গণকবর সংরক্ষণ দাবি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মো: নজরুল ইসলাম, কোটচাঁদপুর, (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে দাস সম্প্রদায়রা বসবাস করছে সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই। বর্তমানে ১৪টি পরিবার বসবাস করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মে পাকিস্তানী হানাদাররা হামলা চালায় দাসপাড়ায়। একসঙ্গে চারজনকে গুলি করে হত্যা করে ।

নিজের চোখে দেখা দাসপাড়ার ভদু দাসের পুত্র রাজন দাস জানালেন, যে গর্তে চারজনের লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। সেখানে নেপিয়ার ঘাসের চাষ হচ্ছে। কলাগাছও রয়েছে বেশ কয়েকটি। জমির প্রকৃত মালিক হতদরিদ্র গোপাল দাস ফুলবাড়ি গ্রামের আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তি কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। যার কারণে গণকবরের কোনো চিহ্ন আজ আর নেই। তারা এই স্থানটি চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রবিউল ইসলাম আরো জানান, দাসপাড়ায় ১৯৭১ সালে বসতি ছিল ১০ পরিবারের। দরিদ্র পরিবারগুলোর সদস্যদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জন ছিলেন প্রতিবাদি। এই খবর শত্রু দের মাধ্যমে চলে যায় পাকিস্তানী বাহিনীর কাছে। তারা পড়ে থাকা লাশগুলো তাদের দোসররা একটি গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেন।

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানী বাহিনী তাকে ডেকে মুসলিম শুনে ছেড়ে দেন। তারা একে একে গুলি করে হত্যা করে ভাদু দাস, অন্ন দাস, অঙ্গ দাস ও কিরণ দাসকে। কিরণ দাস পরের ক্ষেতের কামলা ছিলেন, বাকিরা চাটাই তৈরীর কাজ করতেন। তিনি বলেন, এই স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ব থাকলে পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারতো, জানতে পারতো হানাদারদের হাতে এভাবে কত মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার তাজুল ইসলাম বলেন, এই স্থানটি আজো তাদের অজানা। তারা কোটচাঁদপুর উপজেলায় যেগুলো গণকবর রয়েছে সেগুলোর একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। যার মধ্যে এই স্থানটি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তিনি বলেন, দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে এই স্থানটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD