বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকা ভর্তি থাকা রানী বেগম (২৬) নামে এক নারী পোশাক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। রবিবার ওই নারী পোশাক কর্মীর পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই কর্মীর গ্রামের বাড়ি কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের শ্রীরামপুরে। ঘটনার পর পর উপজেলা প্রশাসন তার নিজ বাড়িসহ আশপাশের ৩টি বাড়ি রাতেই লকডাউন করেছে। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির রবিবার রাত সাড়ে ১১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, করোনায় আক্রান্ত রানী বেগমের সংস্পর্শে আসা তার বাড়ির পাঁচ জন, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীসহ কমপক্ষে ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে সোমবার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হবে। এদিকে এ নিয়ে বাগেরহাট জেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো পাঁচ জনে। তাদের মধ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বড় বাদুরা গ্রামের দুলাল হাওলাদার (৪৫) নামের এক ব্যাক্তি মারা গেছেন।
চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাটলপাড়া গ্রামের কবির মোল্লা নামের একজন যিনি মসজিদের মুয়াজিন হিসাবে কাজ করতেন, শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের পোশাক কারখানার ড্রাইভার শাহিন হোসেন ও বাগেরহাট সদর উপজেলা ডেমা ইউনিয়নের বাশঁবাড়িয়া গ্রামের জিহাদ নামের এক কিশোর করোনা আক্রান্ত হয়েও তারা সবাই সুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।