জার্মানবাংলা রিপোর্ট: বুধবার (৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার বাণিজ্যমেলা এক সপ্তাহ পেছানো হয়েছে। মেলা চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মেলায় কোনো সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) যৌথ আয়োজনে এবারও রাজধানীর শেরেবাংলা নগর অস্থায়ী মাঠে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রব বলেন, প্রতিবছর সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য, সরকারের হাতে নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের আদলে বাণিজ্য মেলার প্রধান গেট স্থাপন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাণিজ্য মেলার প্রধান গেট মেট্রোরেলের আদলে তৈরি করা হয়েছে। আর একটি বিষয় জোর দেয়া হয়েছে আগত দর্শনার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারে তার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বিশেষ করে আমাদের কাছে অভিযোগ আসে দাম বেশি এবং ভোক্তা তার অধিকার থেকে বঞ্চিতি হয়। মান সম্মত পণ্য প্রদর্শনী এবং বাজারজাত করতে কঠোর নজর দারি করা হবে। আইনশৃঙ্খালা বাহিনীর নজরদারি প্রতি বছরের ন্যায় এবার আরও জোরদার করা হয়েছে। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের থিম থাকবে মেলাজুড়ে। ইতোমধ্যে মেলার যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
মেলায় সবমিলিয়ে ৫৫০টি স্টল থাকবে। এর মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা স্টল থাকবে ২০টি, প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ৬০টি, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন ৩৮টি, সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৮টি, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়ন ২৯টি, প্রিমিয়ার স্টল ৬৭টি, রেস্টুরেন্ট তিনটি, সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন ৯টি, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ৬টি, বিদেশি প্যাভিলিয়ন ২৬টি, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ৯টি, বিদেশি প্রিমিয়ার স্টল ১৩টি, সাধারণ স্টল ২০১টি ও ফুড স্টল ২২টি। এছাড়া মেলায় বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা রোধে ভ্রাম্যমান আদালত ও ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে। থাকবে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যমেরা।
বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের মধ্যে রয়েছে-ভারত, পাকিস্তান, চীন, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, রাশিয়া,আমেরিকা, জার্মানি, সোয়াজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও হংকং।
ইপিবি সূত্র জানায়, মেলায় থাকছে মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক ও পর্যাপ্ত এটিএম বুথ। থাকছে রেডিমেড গার্মেন্ট পণ্য, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি ও উপহারসামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
আরও থাকবে তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টিক পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনী সামগ্রী। থাকবে খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি, নির্মাণ সামগ্রী ও ফার্নিচার সামগ্রী।