সোমবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো অভিযানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চল। খনন কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্বে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খনন বিশেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.), বীর প্রতীক।
দেহাবশেষ উত্তোলনের পর ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল যথাযোগ্য সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষসমূহ জাপানে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০২৪ সালে জাপান সরকারের অনুরোধে কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৩ জন জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ উত্তোলন ও প্রত্যাবাসনের কাজ সম্পন্ন হয়েছিল।