শিরোনাম :
চিনি, সার ও এলএনজিসহ ১১ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা কমিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সোয়া ৫ লাখ পদ শূন্য: প্রতি ১০০টির ২৬টিই ফাঁকা সিসা দূষণ প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী আলাস্কা এলএনজি প্রকল্পে ৪.৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ও ৩০% গ্যাস কিনবে তাইওয়ান এক-চীন নীতিতে অবিচল থাকার অঙ্গীকার বতসোয়ানা প্রেসিডেন্টের জিবুতি উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি: ১৫ শিশুসহ নিহত ১৩৯, নিখোঁজ ৮৪ গণমহাভবনে শীর্ষ বৈঠক: চীন-টোগো কৌশলগত সংযোগ আরও সুদৃঢ় মানবতাবিরোধী অপরাধ রোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদের আহ্বান বাংলাদেশের ভিয়েতনাম-চীন কৌশলগত পছন্দ ও পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার জার্মানিতে রোবট দিয়ে কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ: যন্ত্রসহ আটক ২

মানবতাবিরোধী অপরাধ রোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদের আহ্বান বাংলাদেশের

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধ, অপরাধীদের বিচার এবং ভুক্তভোগীদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে একটি আপসহীন, শক্তিশালী ও কার্যকর আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ষষ্ঠ কমিটিতে (আইনবিষয়ক কমিটি) বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় সংসদ সদস্য মুহাম্মদ নওশাদ জমির এ আহ্বান জানান।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বক্তব্যে মুহাম্মদ নওশাদ জমির মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের আশ্রয়দানকারী দেশগুলোর বাস্তব ও স্পর্শকাতর পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত সনদে তিনটি সুনির্দিষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্তির জোর দাবি জানান। প্রস্তাবিত দফাগুলো হলো—অপরাধের আলামত সংরক্ষণ ও সাক্ষীদের সুরক্ষায় কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রদান, ভুক্তভোগীদের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং আশ্রয়দানকারী দেশগুলোর ওপর বোঝা কমাতে দায়িত্ব ভাগাভাগির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংহতি জোরদার করা।

মিয়ানমার থেকে সামরিক নিপীড়নের মুখে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিচারিক কাঠামোয় নিপীড়িতদের আশ্রয়দানকারী দেশগুলোর অনন্য অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি থাকতে হবে।

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সংসদ সদস্য নওশাদ জমির জানান, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে ওই গণবিক্ষোভ চলাকালে শিশুসহ প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানির চিত্র উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে সংঘটিত নির্মম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে কি না, তা নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যাতে বিশ্বের কোনো দেশেই নিরাপদ আশ্রয় না পান, সে জন্য সর্বজনীন বিচারিক এখতিয়ার (ইউনিভার্সাল জুরিসডিকশন) প্রতিষ্ঠা, পালিয়ে থাকা অপরাধীদের প্রত্যর্পণ এবং রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কার্যকর আইনি সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে তিনি নারী ও শিশুদের ন্যায়বিচার ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সনদ প্রণয়নে কোনো ধরনের শিথিলতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে নওশাদ জমির বলেন, ভূরাজনৈতিক কারণে সবাইকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে প্রস্তাবিত সনদকে যদি দুর্বল বা আপসকামী করা হয়, তবে তা শেষ পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগীকেই সুরক্ষা দিতে পারবে না।

সূত্র: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্ক।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD