মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে। এই পরিস্থিতিতে রুটটির নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে যৌথ উদ্যোগের কথা জানিয়েছে ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়া।
সিউলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য এই প্রণালির স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। জ্বালানি পরিবহনসহ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই পথের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় যেকোনো বিঘ্ন বিশ্ববাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।
এ প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন দুই নেতা, যেখানে একাধিক দেশ হরমুজ সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। ফ্রান্স ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সেই প্রচেষ্টাকে আরও গতিশীল করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শিল্প ও জ্বালানি নির্ভরতার কারণে এই রুটের নিরাপত্তা দুই দেশের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাক্রোঁ আইনের শাসনের ভিত্তিতে সমুদ্রপথ উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন, আর লি জে মিয়ং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সিউলের সক্রিয় সম্পৃক্ততার আশ্বাস দেন।
পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন, আগামীতে এই দুই দেশ মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা জোরদারে আরও দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে পারে।