শিরোনাম :
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সংযোগ নয়, গুণগত ও অর্থবহ কানেক্টিভিটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: আইসিটি মন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলা ও হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় চীনের সঙ্গে কাজ করবে নেপাল উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় জয়-জয় উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান ভূমিধসপ্রবণ নেপালে আবহাওয়া ও স্যাটেলাইটভিত্তিক সহায়তা জোরদার করেছে চীন মিয়ামি বিমানবন্দরে রানওয়ে অতিক্রম করে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে ব্যাঘাত, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক ড. নাজমুজ্জামান ভূঁই রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুরাদনগরে তিন খুন: ১০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি শিমুল চেয়ারম্যান

জিবিসি নিউজ, ঢাকা অফিস
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
মামলার বাদী রিক্তা আক্তার

বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের (তিন খুন) ১০ দিন পার হলেও পৈশাচিক এ হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে গ্রেপ্তার আট আসামির তিন দিনের রিমান্ড শেষে রোববার বিকেলে বিচারক মমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৩ জুলাই মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি এলাকায় একটি মোবাইল ফোন চুরি ও মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে রোকসানা বেগম রুবি, তাঁর মেয়ে জোনাকি আক্তার এবং ছেলে রাসেল মিয়াকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ সময় ঘটনাক্রমে বেঁচে যান রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার এবং রুমা আক্তার। রুমা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনে রিক্তা আক্তার বলেন, ‘আমার মা ও ভাইবোন খুনের পর আহত বোন রুমার চিকিৎসায় এখনও ঢাকা মেডিকেলে আছি। কখন বাড়ি ফিরতে পারবো জানি না। ঘাতকদের পরবর্তী টার্গেট আমরা দুই বোন। ঘাতকরা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছে, রুবির (মা) দুই মেয়ের লাশ ফেলতে গ্রামবাসী প্রয়োজনে ৫-১০ কোটি টাকা খরচ করবে। তাই জীবন নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকি। রাতে ঘুমাতে পারি না। অপরিচিত কাউকে দেখলে মনে হয়, এই বুঝি ঘাতকরা এলো।’

চাঞ্চল্যকর তিন খুনের ঘটনায় ৪ জুলাই রাতে রিক্তা বাঙ্গরা বাজার থানায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে।

ঘটনার পরেরদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মো. সবির আহমেদ, মো. নাজিম উদ্দীন বাবুল, ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া, রবিউল আউয়াল, দুলাল, আতিকুর রহমান, বয়েজ মাস্টার, আকাশ এবং শুক্রবার (১১ জুলাই) আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতের পরিদর্শক সাদিকুর রহমান বলেন, এ মামলায় কোনো আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি।

মামলার বাদী রিক্তা আক্তার বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ আমাদের বাড়ির প্রতিটি ভবনের গেটে নিরাপত্তার জন্য তালা দিয়ে রেখেছে। প্রতিদিন লোকজন বাড়ি দেখতে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা যেতে পারছি না।

তিনি বলেন, পুলিশ আর ক’দিন নিরাপত্তা দেবে? হামলায় অনেক লোক জড়িত ছিল। অন্য গ্রামের লোকজনও ছিল। তাদের অনেককে চিনতে পারিনি। শিমুল চেয়ারম্যানকে আটক করলে সবার নাম বের হবে।’

বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে। এলাকার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। মামলার বাদীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হুমকির ঘটনায় কিংবা তাদের নিরাপত্তার জন্য যা যা দরকার, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

জেলা ডিবির ওসি মো. আবদুল্লাহ বলেন, তিন দিনের রিমান্ডে আট আসামি বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। আমরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছি। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিমুল চেয়ারম্যানসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD