শিরোনাম :
খেরসনে জাতিসংঘের ত্রাণবহরে রুশ ড্রোন হামলার অভিযোগ ঝড়-বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড উত্তরপ্রদেশ, নিহত অন্তত ১১১ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ চীন-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক’ চীন-যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প ৬০০ বছরের ঐতিহ্যের সামনে সি-ট্রাম্পের যৌথ উপস্থিতি স্থিতিশীল সম্পর্ক গঠনে একমত সি-ট্রাম্প গবেষণায় সফলতাকে স্বর্ণপদক ও পদোন্নতিতে বিশেষ মূল্যায়ন করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা ‘সাধারণ মানুষের সেবায় কোনো ধরনের হয়রানি নয়: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ও যুবকদের দক্ষ করতে ডব্লিউএফপি-এর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি

মুরাদনগরে তিন খুন: ১০ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি শিমুল চেয়ারম্যান

জিবিসি নিউজ, ঢাকা অফিস
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
মামলার বাদী রিক্তা আক্তার

বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের (তিন খুন) ১০ দিন পার হলেও পৈশাচিক এ হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে গ্রেপ্তার আট আসামির তিন দিনের রিমান্ড শেষে রোববার বিকেলে বিচারক মমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৩ জুলাই মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি এলাকায় একটি মোবাইল ফোন চুরি ও মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে রোকসানা বেগম রুবি, তাঁর মেয়ে জোনাকি আক্তার এবং ছেলে রাসেল মিয়াকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ সময় ঘটনাক্রমে বেঁচে যান রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার এবং রুমা আক্তার। রুমা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রোববার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনে রিক্তা আক্তার বলেন, ‘আমার মা ও ভাইবোন খুনের পর আহত বোন রুমার চিকিৎসায় এখনও ঢাকা মেডিকেলে আছি। কখন বাড়ি ফিরতে পারবো জানি না। ঘাতকদের পরবর্তী টার্গেট আমরা দুই বোন। ঘাতকরা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছে, রুবির (মা) দুই মেয়ের লাশ ফেলতে গ্রামবাসী প্রয়োজনে ৫-১০ কোটি টাকা খরচ করবে। তাই জীবন নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকি। রাতে ঘুমাতে পারি না। অপরিচিত কাউকে দেখলে মনে হয়, এই বুঝি ঘাতকরা এলো।’

চাঞ্চল্যকর তিন খুনের ঘটনায় ৪ জুলাই রাতে রিক্তা বাঙ্গরা বাজার থানায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালসহ ৩৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে।

ঘটনার পরেরদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মো. সবির আহমেদ, মো. নাজিম উদ্দীন বাবুল, ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া, রবিউল আউয়াল, দুলাল, আতিকুর রহমান, বয়েজ মাস্টার, আকাশ এবং শুক্রবার (১১ জুলাই) আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতের পরিদর্শক সাদিকুর রহমান বলেন, এ মামলায় কোনো আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি।

মামলার বাদী রিক্তা আক্তার বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ আমাদের বাড়ির প্রতিটি ভবনের গেটে নিরাপত্তার জন্য তালা দিয়ে রেখেছে। প্রতিদিন লোকজন বাড়ি দেখতে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা যেতে পারছি না।

তিনি বলেন, পুলিশ আর ক’দিন নিরাপত্তা দেবে? হামলায় অনেক লোক জড়িত ছিল। অন্য গ্রামের লোকজনও ছিল। তাদের অনেককে চিনতে পারিনি। শিমুল চেয়ারম্যানকে আটক করলে সবার নাম বের হবে।’

বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা আছে। এলাকার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। মামলার বাদীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হুমকির ঘটনায় কিংবা তাদের নিরাপত্তার জন্য যা যা দরকার, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

জেলা ডিবির ওসি মো. আবদুল্লাহ বলেন, তিন দিনের রিমান্ডে আট আসামি বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। আমরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছি। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিমুল চেয়ারম্যানসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD