ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শফিউর রহমান ফারাবী হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। বিচারপতি জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ জামিন মঞ্জুর করেন।
ফারাবীর পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। সহকারী হিসেবে ছিলেন আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান।
আদালতের আদেশের পর মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান জানান, “বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে আপিল করেছিলেন ফারাবী। সেই আপিল শুনানির জন্য গৃহীত হয়। আজ আদালত তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। কতদিনের জন্য জামিন দেওয়া হয়েছে, তা লিখিত আদেশ পেলে জানা যাবে।”
জামিনের পক্ষে উত্থাপিত যুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, “এই মামলায় চার আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রয়েছে। তবে তারা কেউই ফারাবীর নাম উল্লেখ করেননি। এমনকি তদন্ত কর্মকর্তার বাইরে অন্য কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্যেও তার নাম উঠে আসেনি। ফারাবী নিজেও কোনো স্বীকারোক্তি দেননি। তাকে ভুলভাবে মূল্যায়নের ভিত্তিতে দণ্ডিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বিজ্ঞানচেতনার প্রচারক ব্লগার অভিজিৎ রায়কে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও শফিউর রহমান ফারাবীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরই আপিল করেন তিনি।
এই সংস্করণটি পাঠযোগ্যতা, কাঠামো ও পেশাগত রীতিনীতির দিক থেকে সাংবাদিকতার মান রক্ষা করে তৈরি করা হয়েছে। চাইলে এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ বা ব্যাখ্যামূলক প্রতিবেদনের আকারেও তৈরি করে দিতে পারি।