ভারতে প্রিয় নবীজীর শ্বান মুবারকে মানহানীকর বক্তব্য দিয়ায় ৬ অক্টোবর রবিবার ঝিনাইদহের পায়রা চত্তরে ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছ্ত্র ও সাধারণ জনতার উদ্যগে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রিয় নবীজি (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার পবিত্র শানে মানহানীকারী পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক, তাকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে’, সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রে প্রিয় নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র শানে মানহানী করে বক্তব্য দেয় রামগিরি নামক এক মুশরিক কুলাঙ্গার।
প্রিয় নবীজি (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি আমাদের প্রাণের থেকেও প্রিয়। উনার পবিত্র শানে বিন্দু থেকে বিন্দুতম বেয়াদবী আমরা মেনে নেব না। পৃথিবীর যে প্রান্তেই সে কটূক্তিকারী থাকুক, তার একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সারা বিশ্বের মুসলমানদের পক্ষে আমরা চাই অবিলম্বে সেই সেই কুলাঙ্গারকে গ্রেফতার করে তার শরঈ শাস্তি জারি করা হোক। বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এনে এই জঘন্য কর্মের শক্ত প্রতিবাদ করা। ভারত সরকারকে চাপ দেয়া যেন কুলাঙ্গার রামগিরিকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে। ভারত সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে তার সাথে আমাদের দেশের সকল সম্পর্ক ছিন্ন করা উচিত। যে রাষ্ট্র প্রিয় নবীজি (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পবিত্র শানে মানহানীকারীকে প্রশ্রয় দেয়, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না।
ভারতে প্রিয় নবীজি (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার মুবারক শানে যে মুশরিকরা মানহানী করেছে, সেই মুশরিকদের জন্য বাংলাদেশ সরকার ইলিশ পাঠাচ্ছে। এ থেকে আর কষ্টের বিষয় কি হতে পারে? অপরাধী কখনো ইলিশ পাওয়ার যোগ্য নয়। বাংলাদেশ সরকারকে ইলিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
ভারতে যখন মুসলমানরা চরম নির্যাতিত হচ্ছে, মসজিদ ভাঙ্গা হচ্ছে, গরুর গোশতের জন্য মুসলমানদের শহীদ করা হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের হিন্দুরা শাহী হালে আছে। তাদের সরকারী সহায়তায় পূজা করতে দেয়া হচ্ছে। এটা কখনই ইনসাফ নয়। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের আমলে সরকারী ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতি মন্ডপে ৫০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হতো। অথচ ঈদে বা কুরবানীতে মসজিদগুলোতে কিছুই দেয়া হতোনা। এটা ছিলো আওয়ামীলীগের চরম বেইনসাফ। পূজাতে কোন ত্রাণ দেয়া যাবেনা।
বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা করার প্রয়োজন হলে মন্দিরের ভেতরেই পূজা করা উচিত, মন্দিরের বাইরে মণ্ডপ বানিয়ে জনদুর্ভোগ তৈরী করা কখনই মেনে নেয়া যায় না। পাশাপাশি, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন পূজা শেষে মূর্তি উন্মুক্ত পানিতে ডুবিয়ে পরিবেশ দূষণ না করে সেদিকেও পরিবেশ অধিদফতরকে দৃষ্টি দেয়ার আহবান জানান তিনি, ভারত বাংলাদেশের জাতীয় শত্রু। এটা বাংলাদেশের হিন্দুদের স্বীকার করতে হবে।
নেপালের হিন্দুরা ভারত বিরোধী হলে, বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারত বিরোধী হতে সমস্যা কোথায়? ভারতে আমাদের প্রিয় নবী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে এত বড় কটূক্তির ঘটনা ঘটে গেছে, বাংলাদেশের হিন্দুদের উচিত তাদের আসন্ন দূর্গা পূজায় এ ব্যাপারে ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পেশ করা এবং কটূক্তিকারীর শাস্তি দাবী করা। হিন্দুরা যে দেশদ্রোহী নয় তা প্রমাণের জন্য যারা অখনড ভারতের কথা বলে তাদেরকে ধরিয়ে দেয়াটা হিন্দুদেরই দায়িত্ব। দ্বীন ইসলাম বিরোধী কুফুরী আক্বিদা আমরা মানি না আর মুসলমান কেউ মানতে পারবে না।