শিরোনাম :
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা- তথ্য প্রবাহ ও স্বচ্ছতার ঝুঁকি সৃষ্টি করবে: টিআইবি ইরানে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির বিরুদ্ধে নতুন সাজার রায় ফ্রাঙ্কফুর্টে নারায়ণগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল পিঠা উৎসব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অপরিণামদর্শী পদক্ষেপের ফলে গণভোট নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক : টিআইবি ঢাকা মহানগরের ভোটগ্রহণের আগে-পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চার দিনের টানা ছুটি: স্বস্তিতে সরকারি কর্মচারীরা নির্বাচন উপলক্ষে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) এর কঠোর নিরাপত্তা জোরদার: দুর্গম ২৭টি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন দেশীয় কারখানায় তৈরি এসি বাস: আত্মনির্ভরতার পথে বিআরটিসি জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অ্যাম্বিয়েন্টা ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি

সেপ্টেম্বরে তিন পথে ঝরেছে ৪৬৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু সড়কে

ঢাকা অ‌ফিস, ডেস্ক রি‌পোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের তিন পথে দুর্ঘটনায় ৪৬৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সড়কে ৪৪৬টি দুর্ঘটনায় ৪১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬৮২ জন। একই সময়ে ১৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ছয় জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ২৯টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত মাসিক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং সংগঠনটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ৬৩ জন নারী ও ৪৭ জন শিশু রয়েছেন। গত মাসে ১৫১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৪৩ জন, যা মোট নিহতের ৩৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

একই সময়ে ১১২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৬ জন (১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ)। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৯ জন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে সংঘটিত দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬১টি ঘটেছে জাতীয় মহাসড়কে, ১৩৯টি আঞ্চলিক সড়কে, ৫৭টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৮৯টি শহরের সড়কে। দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯২টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১১৯টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫৮টি পেছন থেকে আঘাত করা এবং ৬টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ১২৮টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা হয়েছে। এই বিভাগে ১৬টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন।

একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি ৫২টি দুর্ঘটনায় ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম মাগুরা জেলায়, যেখানে ৮টি দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় ৪২টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও ৩৩ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পথচারীদের অসচেতনতার কারণেও দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনটি বলেছে, সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।

 

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD