শিরোনাম :
‎‎সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা জরুরী : সুজন  মিয়ানমারে বিয়ে ও দোয়া মাহফিলে বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২৭ বেসামরিক নাগরিক ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভায় ভয়াবহ ভূমিধস, নিহত ৭; নিখোঁজ ৮২ উচ্চমানের উন্নয়ন ও উন্মুক্তকরণে চীন-ব্রাজিল সহযোগিতার অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন অভিযানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা: জাতিসংঘ সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীরা নিরাপত্তা ইস্যুতে অনড় বিসিবি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ:৩৩০ কোটি টাকা ক্ষতি এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাস সরবরাহ কমছে, তীব্র হচ্ছে সংকট যুক্তরাষ্ট্র–জামায়াত যোগাযোগ ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত: ফরহাদ মজহার আকাশচুম্বী ভবন, পর্যটনের সুযোগসহ ‘নতুন গাজার’ পরিকল্পনা জানালো যুক্তরাষ্ট্র

মামলার জটে শূন্য ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ: প্রাথমিক শিক্ষায় সংকট

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, একটি মামলার কারণে সারা দেশে প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। এর ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত “প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

উপদেষ্টা বলেন, “একটি মামলার জন্য আমাদের ৩২ হাজার স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষক ছাড়া একটি স্কুল কীভাবে চলবে? আবার সহকারী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে কোনো পদোন্নতি ছাড়াই শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন, আমরা তাদের প্রমোশন দিতে পারছি না। যদি এই ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য হতো, তাহলে ৩২ হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতো। শুধুমাত্র একটি মামলার কারণে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, সরকার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রসঙ্গে অধ্যাপক বিধান রঞ্জন বলেন, সফল স্কুলগুলোর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে অন্যান্য বিদ্যালয় নিজেদের উন্নত করতে পারে। শিক্ষাকে শিশুদের কাছে আনন্দদায়ক করতে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের গুরুত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি শিক্ষকদের সাংগঠনিক ও একাডেমিক নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেদের হাজারো শিক্ষার্থীর আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “একটি স্কুলই হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট। জেলা অফিস, উপজেলা অফিস, অধিদপ্তর কিংবা মন্ত্রণালয়—এসব স্তরের কাজ মূলত সমন্বয় ও সহযোগিতা করা। প্রকৃত কাজটি পরিচালিত হয় স্কুলে, আর সেই স্কুলের নেতৃত্বে থাকেন প্রধান শিক্ষক।”

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেলের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান (এনডিসি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মতবিনিময় সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেবসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রধান শিক্ষকরা।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD